অনেকেরই ধারণা, ফেনাযুক্ত ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুলে তবেই সারাদিনের মুখে জমে থাকা ধুলো-ময়লা, ঘাম-তেলের স্তর ভালো করে পরিষ্কার হবে। ফেনা হলে তা ধুতে বেশী জল লাগে। ফলে অনেকেই ভাবেন, ফেনা হলে তবেই যেন মুখ পরিষ্কার হল।
কিন্তু সময়ের সাথে সাথে রূপচর্চার ধরনও পরিবর্তন হচ্ছে। কম সময়ে একাধিক কাজ করতে পারে এমন সামগ্রী পেলে মন্দ হয় না। মুখ পরিষ্কার করতে এখন অনেকেরই পছন্দ ক্লিনজার। এটি মুখ পরিষ্কার করার সাথে সাথে ত্বকের আর্দ্রতাও বজায় রাখে।
দুধের মতো দেখতে এই ক্লিনজারকে স্রেফ দুধ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করার সঙ্গে গুলিয়ে ফেললে চলবে না। ফেসওয়াশের জগতে এসেছে এক নতুন বদল, যেখানে ক্লিনজার হাতে নিলেই মনে হবে নরম কোনও ক্রিমের পরত। সেই পরতই ত্বক থেকে ধুলো, ময়লা ও ঘাম আলতো করে তুলে নেয়, ত্বকের আর্দ্রতা নষ্ট না করেই।
তবে একে ক্লিনজিং মিল্ক ভাবা ঠিক নয়। এটি ব্যবহার করতে হয় সাধারণ ফেসওয়াশের মতোই। ওটস মিল্ক, নারকেলের দুধ কিংবা রাইস মিল্ক দিয়েও তৈরি ক্লিনজারের প্রতিটি উপাদানই ত্বকবান্ধব। এছাড়াও, কিছু ক্লিনজারে ভিটামিন বি৫-এর মতো ত্বকের জন্য উপকারী উপাদানও মেশানো হচ্ছে। দিনের শেষে ত্বকের যত্ন নিতে অনেক সময়ই ক্লান্ত লাগে, কিন্তু এই ক্লিনজার ত্বক রুক্ষ না করে সহজেই ময়লা পরিষ্কার করে দেয়।
