গুয়াহাটি, ১২ আগস্ট: আসাম পাবলিকেশন বোর্ড এবং অল আসাম পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে ২০২৫-২৬ সালের আসাম বইমেলা রাজ্যের আটটি শহরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। অক্টোবর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এই সাহিত্য উৎসব ছড়িয়ে পড়বে বঙাইগাঁও থেকে গুয়াহাটির খানাপাড়া পর্যন্ত।
আঞ্চলিক বইমেলার সময়সূচি: বঙাইগাঁও: ২২ অক্টোবর – ২৯ অক্টোবর ২০২৫
লক্ষীপুর: ১ নভেম্বর – ১০ নভেম্বর ২০২৫
নলবাড়ি: ৬ নভেম্বর – ১৭ নভেম্বর ২০২৫
যোরহাট: ১৪ নভেম্বর – ২৬ নভেম্বর ২০২৫
তিনসুকিয়া: ২৮ নভেম্বর – ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
শিলচর: ১ ডিসেম্বর – ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
মঙ্গলদৈ: ১২ ডিসেম্বর – ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
গুয়াহাটি: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ – ৬ জানুয়ারি ২০২৬
গুয়াহাটিতে বইমেলার ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়েছে। চান্দমারির আসাম ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মাঠের পরিবর্তে এবার বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে খানাপাড়ার ভেটেরিনারি কলেজ মাঠে। ১৪ দিনব্যাপী এই মেলা আগের বছরের ১২ দিনের তুলনায় আরও বিস্তৃত হবে।
আসাম পাবলিকেশন বোর্ডের সচিব প্রমোদ কলিতা জানান, “বইমেলাকে বিভিন্ন শহরে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে আমরা পাঠাভ্যাসকে উৎসাহিত করতে চাই। এটি শুধু বই কেনাবেচার নয়, বরং সাহিত্যচর্চার একটি বৃহৎ প্ল্যাটফর্ম।”
আসাম সরকার জেলা সদর বইমেলার জন্য ৫ লক্ষ টাকা এবং কো-ডিস্ট্রিক্ট সদর বইমেলার জন্য ২.৫ লক্ষ টাকা অনুদান অনুমোদন করেছে। “ইয়ার অফ বুকস” উদ্যোগের আওতায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য বই কেনার বিশেষ তহবিলও কার্যকর করা হবে।
প্রকাশক ও লেখকদের অংশগ্রহণ, সাহিত্য আলোচনা, নতুন বই প্রকাশ, এবং পাঠকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ—সব মিলিয়ে আসাম বইমেলা এবার আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই সাহিত্য যাত্রা শুধু বইপ্রেমীদের জন্য নয়, বরং আসামের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচনা করতে চলেছে।
আঞ্চলিক বইমেলার সময়সূচি: বঙাইগাঁও: ২২ অক্টোবর – ২৯ অক্টোবর ২০২৫
লক্ষীপুর: ১ নভেম্বর – ১০ নভেম্বর ২০২৫
নলবাড়ি: ৬ নভেম্বর – ১৭ নভেম্বর ২০২৫
যোরহাট: ১৪ নভেম্বর – ২৬ নভেম্বর ২০২৫
তিনসুকিয়া: ২৮ নভেম্বর – ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
শিলচর: ১ ডিসেম্বর – ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
মঙ্গলদৈ: ১২ ডিসেম্বর – ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
গুয়াহাটি: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ – ৬ জানুয়ারি ২০২৬
গুয়াহাটিতে বইমেলার ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়েছে। চান্দমারির আসাম ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মাঠের পরিবর্তে এবার বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে খানাপাড়ার ভেটেরিনারি কলেজ মাঠে। ১৪ দিনব্যাপী এই মেলা আগের বছরের ১২ দিনের তুলনায় আরও বিস্তৃত হবে।
আসাম পাবলিকেশন বোর্ডের সচিব প্রমোদ কলিতা জানান, “বইমেলাকে বিভিন্ন শহরে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে আমরা পাঠাভ্যাসকে উৎসাহিত করতে চাই। এটি শুধু বই কেনাবেচার নয়, বরং সাহিত্যচর্চার একটি বৃহৎ প্ল্যাটফর্ম।”
আসাম সরকার জেলা সদর বইমেলার জন্য ৫ লক্ষ টাকা এবং কো-ডিস্ট্রিক্ট সদর বইমেলার জন্য ২.৫ লক্ষ টাকা অনুদান অনুমোদন করেছে। “ইয়ার অফ বুকস” উদ্যোগের আওতায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য বই কেনার বিশেষ তহবিলও কার্যকর করা হবে।
প্রকাশক ও লেখকদের অংশগ্রহণ, সাহিত্য আলোচনা, নতুন বই প্রকাশ, এবং পাঠকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ—সব মিলিয়ে আসাম বইমেলা এবার আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই সাহিত্য যাত্রা শুধু বইপ্রেমীদের জন্য নয়, বরং আসামের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচনা করতে চলেছে।
