ত্রিপুরা সরকার ইকো-ট্যুরিজম এবং মানুষ-হাতির সহাবস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে তাদের প্রথম হাতি সাফারি চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বনমন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা জানিয়েছেন, স্বাধীনতা দিবসের আগেই এই সাফারি চালু হবে এবং অধিকাংশ প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।
মুঙ্গিয়াকামি এলিফ্যান্ট ক্যাম্প থেকে পরিচালিত এই সাফারি বন বিভাগের একটি “উচ্চাভিলাষী পদক্ষেপ”। মন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্বোধনের আগে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সাফারির পূর্বরূপ দেখে অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করবেন। হাতি ওয়াচটাওয়ার নির্মাণ এবং ওয়াচটাওয়ার কর্মীদের প্রশিক্ষণও চলছে।
মানুষ-হাতির সংঘাত মোকাবিলায় বন বিভাগ প্রাণঘাতী নয় এমন ডাবল-ব্যারেল বন্দুক সংগ্রহ করেছে, যা সংঘাতপ্রবণ এলাকায় হাতিদের নিরাপদে প্রতিরোধ করতে সাহায্য করবে। খোয়াই জেলার মতো সংঘাতপূর্ণ এলাকায় এই পদক্ষেপ কার্যকর হবে। বন বিভাগ আশা করছে, এই নতুন সাফারি পর্যটকদের আকর্ষণ করবে এবং হাতি সংরক্ষণ ও সহাবস্থান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
