আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে ২৫ জুন আগরতলার উমাকান্ত ময়দানে আয়োজিত এক মোটরসাইকেল র্যালিতে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা মাদকবিরোধী লড়াইয়ে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই সম্ভব নেশামুক্ত ত্রিপুরা ও নেশামুক্ত ভারত গড়ে তোলা”।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকার মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ত্রিপুরার ভৌগোলিক অবস্থান—তিন দিক দিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও আসাম-মিজোরামের সংযোগ—ড্রাগস পাচারের করিডোর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “আমাদের ছেলেমেয়েরা এই পাচারের শিকার হচ্ছে। তাদের দোষ নেই, বরং তারা ভিকটিম। তাই চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি।” এই লক্ষ্যে রাজ্যের আটটি জেলায় ডি-অ্যাডিকশন সেন্টার স্থাপনের জন্য প্রায় ₹২০ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া, DONER মন্ত্রকের সহায়তায় ₹১৯৮ কোটি টাকার একটি বৃহৎ পুনর্বাসন কেন্দ্র বিশ্রামগঞ্জে স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্যে HIV/AIDS প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে রেড রিবন ক্লাব, ওএসটি (Opioid Substitution Therapy), এবং যৌনশিক্ষা বিষয়ক কর্মসূচি চালু রয়েছে। তিনি বলেন, “যৌনশিক্ষা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা জরুরি, না হলে ভবিষ্যতে বিভীষিকাময় পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।”
অনুষ্ঠানে এক রক্তদান শিবিরও আয়োজিত হয়, যা নেশামুক্ত ভারত অভিযানের অংশ হিসেবে সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, রাজ্য সরকার শুধু আইন প্রয়োগেই নয়, বরং সচেতনতা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মাদকবিরোধী লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা নিতে চায়।
অনুষ্ঠানে এক রক্তদান শিবিরও আয়োজিত হয়, যা নেশামুক্ত ভারত অভিযানের অংশ হিসেবে সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, রাজ্য সরকার শুধু আইন প্রয়োগেই নয়, বরং সচেতনতা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মাদকবিরোধী লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা নিতে চায়।
