আইন মন্ত্রণালয় কেন্দ্রীয় সরকারের মামলার সংখ্যা কমানোর উদ্দেশ্যে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। এই নির্দেশিকা প্রধানত মামলার সংখ্যাকে সীমিত করার পাশাপাশি বিরোধ নিষ্পত্তি দ্রুততর করার ওপর গুরুত্ব দেয়।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে সরকারি দফতর এবং কর্মকর্তারা যথাসম্ভব বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি, যেমন মধ্যস্থতা এবং সালিশি, গ্রহণ করবেন। আদালতের মাধ্যমে মামলা করার পরিবর্তে এই পদ্ধতি অনুসরণ করেই অধিকাংশ বিরোধ মিটানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে যে, মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে বিরোধের সম্ভাবনা এড়াতে বিভিন্ন চুক্তি সতর্কতার সাথে যাচাই করা, সময় মতো বকেয়া অর্থ প্রদান এবং স্বচ্ছ যোগাযোগ বজায় রাখা উচিত। এতে বিরোধের আশঙ্কা কমে যায়, যা মামলার দিকে না গিয়ে মীমাংসার পথ খুঁজে পাওয়ার সুযোগ তৈরি করে।
সরকারি দফতরগুলোকে আরও কার্যকরভাবে মামলা পরিচালনা করার জন্য আলাদা আইনি সেল গঠন করার সুপারিশ করা হয়েছে। এই সেল মামলার বৈধতার পরীক্ষা করবে এবং নিশ্চিত করবে যে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ মামলাই আদালতে গিয়ে পৌঁছায়। এছাড়া, আইনি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
এই নির্দেশিকা সরকারের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ, যেখানে মামলার সঙ্গে যুক্ত খরচ কমানোর পাশাপাশি সুশাসন বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগ, আইন পদ্ধতিতে নতুন দক্ষতা ও সাশ্রয়ের সংস্কৃতি গড়তে সাহায্য করবে এবং মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সহায়ক হবে।
আইন মন্ত্রণালয় সব সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতর ও কর্মকর্তাদের এই নির্দেশিকা মেনে চলার এবং সরকারের লক্ষ্য অর্জনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছে। এটি সরকারি আইনি প্রক্রিয়াগুলিকে আরও উন্নত করার পাশাপাশি দ্রুত বিরোধ মেটানোর ক্ষেত্রে সুবিধা দেবে।
