সকাল ১১টা ৭ মিনিটে কেঁপে উঠল উত্তরপূর্ব ভারত ও বাংলাদেশ

ফের কেঁপে উঠল উত্তরপূর্ব ভারত এবং বাংলাদেশের একাংশ। ভারত সীমান্তের কাছেই মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের এই কম্পনের উৎসস্থল।রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৭। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিমি গভীরে এই ভূমিকম্পটি হয়। ভারতে  সকাল ১১টা ৭ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। এর উৎসস্থল মণিপুরের ইয়াইরিপক শহর থেকে । এই ভূমিকম্পের জেরে মিজোরাম, মেঘালয়, মণিপুর, অসম, অরুণাচল, এবং বাংলাদেশের শিলেটে অনুভূত হয়। যে সব শক্তিশালী ভূমিকম্পের উৎসস্থল মাটির গভীরে থাকে, তার থেকে ও এধরনের মাঝারি ভূমিকম্প বেশি ভয়ানক হয়।এই ধরনের ভূমিকম্পের জেরে ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি অনেক বেশি শক্তি সঞ্চারিত হয়। এর জেরে ভূকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

এর আগে গত ৪ মার্চ তিব্বতে একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। যার কম্পনের মাত্রা ৪.২ ছিল। এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ৪.১    রিখটার স্কেলে মাত্রার ।সেদিনই ভোররাতে ভূমিকম্পে কেঁপে ছিল অসমের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং বাংলাদেশের শিলেট। অসমের মরিগাঁও জেলা, গুয়াহাটি-সহ রাজ্যের বিভিন্ন অংশে এই ভূমিকম্পে অনুভূত করে ছিল। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫। তার পর ২৮ ফেব্রুয়ারিও নেপালে ভূমিকম্প হয়েছিল। সেই কম্পন অনুভূত হয় পশ্চিমবঙ্গেও। রিখটার স্কেলে ছিল ৬.১।

এদিকে সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরের ভূমিকম্পের জেরে কেঁপে উঠেছিল কলকাতা, ভুবনেশ্বর সহ পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা ।এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল কলকাতা থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং হলদিয়া থেকে ২৮৬ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের ৯১ কিলোমিটার গভীরে। এদিকে বাংলাদেশের শিলেটে অঞ্চলে ভূমিকম্প টের পাওয়া গিয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *