মাত্র তিনটি মূল চরিত্র নিয়েই বেলাইন বাজিমাত করে দিল। এই ছবিটির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন শমীক রায়চৌধুরী। ঋতুপর্ণ ঘোষের পর শমীক রায়চৌধুরী এক বিরল উদাহরণ যিনি অল্প পরিমাণে কাস্টের মাধ্যমেই দারুণ ছবি তৈরি করতে পারেন।
এই ছবিতে একজন বৃদ্ধ এবং একজন অবিবাহিত কাপলকে দেখা যাবে। লিভ-ইন করেন তারা। এদের রোজনামচা নিয়েই গোটা গল্পটি। এই ছবির মধ্যে একাকীত্বকে আরও গভীর ভাবে দেখানো হয়েছে। তবে এই ছবিটির অদ্ভুদ বিষয় হল। এই ছবিটিতে কোন চরিত্রের নাম নেই।
সিনেমাটিতে চোখ রাখলে দেখা যাবে এক বৃদ্ধ অবসরের পর একা একাই থাকে। আর তার একাকীত্বের সঙ্গী বাংলা সিরিয়াল। আর এই সিরিয়ালেই তার একটি প্রিয় চরিত্র রয়েছে যার নাম সতী। সেই যেন সিনেমার মুখ্য চরিত্র বৃদ্ধার কাছে ক্রস কানেকশনে বেলাইন হয়ে আগমন করে এক যুবতীর নম্বরের মাধ্যমে। নম্বর। এবং আলাপ হয় ওই লিভ ইনে থাকা যুবতীর সঙ্গে বৃদ্ধের। বেলাইন যেন বৃদ্ধার স্বপ্ন প্রেয়সী হয়ে ওঠে। তিনি কান পাততে থাকে ওই দম্পতির ঘনিষ্ঠ সময়। এই বৃদ্ধার চরিত্রতেই দেখা যাবে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই চরিত্রটির মধ্য দিয়েই তিনি প্রথম ছক ভাঙলেন।
