ধোনি ফিনিশ…। ধোনির ছয় মেরে বিশ্বকাপ জেতানোর সেই মুহূর্ত আজও ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীদের মনে গেঁথে রয়েছে। ২ এপ্রিল যেন মুহূর্তটা আরও বেশি করে মনে পড়ে। এক সময়ের সতীর্থ, পরবর্তীতে অবশ্য সম্পর্কে অবনতিও হয়। ক্রিকেট টিম গেম। কেন এত মাতামাতি হবেএকজনকে নিয়ে? গৌতম গম্ভীরের এতেই আপত্তি ছিল ।
মনে রাখার মতোইকিছু কিছু মুহূর্ত।মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং গৌতম গম্ভীরের দেখা হলেও তেমনই মুহূর্ত। শেষ বার ওয়ান ডে বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত ২০১১ সালে। তার আগে ২০০৭ সালে উদ্বোধনী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও। দুটিই মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে। আর দুটি ট্রফির ম্যাচেই ধোনির বিশ্বস্ত সেনানী ছিলেন গৌতম গম্ভীর। ফাইনালের মঞ্চে জ্বলে উঠেছেন গম্ভীর। যদিও ওয়াংখেড়েতে ওয়ান ডে বিশ্বকাপ ফাইনালে ছয় মেরে ম্যাচ জেতানো ধোনিকে নিয়েই মাতামাতি হয় বেশি।
কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচে তাই নজর ছিল মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং গৌতম গম্ভীরের দিকেও। তাঁরা একে অপরকে এড়িয়ে যাবেন না তো! ভাবনাও এসেছেএমন ।অবশ্য ধোনিকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন গৌতম গম্ভীর ম্যাচের আগে । মরসুমের প্রথম হারের পর গম্ভীরের মেজাজ কেমন থাকবে সেদিকেও নজর ছিল। ধোনিকে ব্যাট হাতে নামতে হবে, এই প্রত্যাশাই ছিল না। বোর্ডে মাত্র ১৩৭ রানের টার্গেট ছিল চেন্নাই সুপার কিংসের।
চেন্নাইয়ের চাই মাত্র ৩ রান ধোনি যখন ব্যাট হাতে নামেন । তখনও ১৯ বল বাকি। শেষ অবধি ১৪ বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেটে জয় চেন্নাই সুপার কিংসের। ম্যাচ শেষ হতে সৌজন্য বিনিময় দু-দলের। অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়ছেন ধোনি। দু-দলের প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ সৌজন্য বিনিময় করছেন। গম্ভীর এবং ধোনি সামনাসামনি আসতেই ক্যামেরার ফোকাস দুই কিংবদন্তির দিকে। ধোনিকে দেখেই আলিঙ্গন গম্ভীরের। দু-জনের কয়েক সেকেন্ড কথাও হয় । হাসি মুখের ছবি। চিত্রটা ক্রিকেট প্রেমীদের কাছে দুর্লভ এবং উচ্ছ্বাসের, বলাই যায়।
